দিয়েছিলেন আমি যেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হই।
প্রকৌশল বিষয়টি আমার কাছে ভীষণ নিরস মনে
হতো। তারপরও পড়াশোনাটা শেষ করি।
রেহানাকে একজন সিঙ্গেল মাদার হিসেবে দেখার পর
থেকেই সাজ্জাদকে খুঁজব আমরা। একথা যেন জেনেই যে,
সাজ্জাদকে পাওয়া যাবে না রেহানা মরিয়ম নুর ছবিতে।
ইমেজেস’-এর কথা। আসলে হিরের বিভিন্ন তল যদি
আমরা লক্ষ করি, তাহলে সেখানে একই ব্যক্তির
নানান প্রতিবিম্ব দেখতে পাওয়া যায়। যে-কোনো এক
বিশুদ্ধতাবাদী ব্যক্তির কাছে সমস্যাটি হল যে তাকে
তো কোনো একটি প্রতিবিম্বকে ধরে চলতে হবে।
ঋত্বিক ঘটকের সঙ্গে কথাবার্তা ১
আপনাকে কী-কী বিষয় প্রেরণা যোগাল?
ঋত্বিক ঘটক: বলতে পারো, আঁকাবাঁকা পথ
ধরে আমি চলচ্চিত্রে এসেছি। বাবার ইচ্ছেয়
চললে আমার ইনকাম ট্যাক্স অফিসার
হওয়ার কথা।
সাথে একান্ত আলাপচারিতা
জাকার্তাভিত্তিক কন্টেম্পরারি আর্ট কালেক্টিভ
‘রুয়াংরুপার’ কিউরেটর আদে দার্মাওয়ান যোগাযোগ
করে বৃত্ত আর্ট ট্রাস্ট ও আমাদের কাজ সম্পর্কে জানতে
চান। তখন আমরা জিরো-ওয়েস্ট ফুড আর্ট নিয়ে কাজ
শুরু করেছি।
ভিন্ন নাম হয়েছে— ফটো সাংবাদিকতা, ওয়াইল্ড-লাইফ
ফটোগ্রাফি, স্পোর্টস ফটোগ্রাফি, ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফি;
এরকম অনেকগুলো শাখা-প্রশাখার মধ্যে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি
একটি শাখা
অস্তিত্বচেতনার ভাঙনের ভিতরে ক্রমশ রূপান্তরিত
হতে থাকে; যেন অবচেতন মনের অস্থিরতা একসময়
মানসিক অবস্থার প্রতিফলন হয়ে ওঠে।
ভোর ভোর রওনা দিয়ে পৌঁছলাম বেলা এগারোটা নাগাদ।
ডালপুরি আর স্বদেশী আন্দোলনের
স্বপ্নপুরী
সময়টা ১৯৬৮
এবং ১৬ তম
আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসব
চলচ্চিত্র সংগঠনের জন্ম হয়। সংগঠনটির নাম
দেওয়া হয় ‘বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম।’
পেদ্রোকে জানায় এ জমি সে ইউনাইটেড ফ্রুট
কোম্পানিকে বিক্রি করে দিয়েছে।
পেদ্রোকে জানায় এ জমি সে ইউনাইটেড ফ্রুট
কোম্পানিকে বিক্রি করে দিয়েছে।
বোধহয় রবীন্দ্রনাথ। বয়স চল্লিশ পার হওয়ার পরে
এসে নিজেকে একজন চিত্রশিল্পীরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
নীরব প্রস্থান
আলোকচিত্রী আফজাল এইচ চৌধুরীর সঙ্গে যে আমার
খুব বেশি পরিচয় ছিল তা নয়।
আরো কয়েকটা খাতাও রেখে গেছেন। সেইসব খাতায়
কোন কবিতা দিয়ে কী বোঝাচ্ছেন তা লেখা। কী ঘটত
তখন?
আরও পড়ুন
সেলুলয়েডের সরব শিল্পীর নীরব প্রস্থান
মুক্তকথা (পর্ব ৩-৮)
তিনা মোদোত্তি: বিপ্লব ও শিল্পের জন্য উৎসর্গীকৃত জীবন
বাংলাদেশে জাতীয় চলচ্চিত্রের সম্ভাবনা
শৈল্পিক ন্যায্যতাই একমাত্র মানদণ্ড : ঋত্বিক ঘটকের সঙ্গে কথাবার্তা ১
ল্যান্ড-গার্ড: ছবির সাথে একান্ত বোঝাপড়া
সম্পাদকীয়
রঘু রাই: তাঁর আপন জবানি
সর্বশেষ কুলপতির প্রস্থান
‘আমি মনে করি শূন্যতা অনিবার্য’ – বরিস মিটিচ
অবশ্য পাঠ্য
- All
- অসিত পাল
- আনখ সমুদ্দুর
- আবীর আবদুল্লাহ
- আবুল মনসুর
- আলোকচিত্র
- আহমেদ রাসেল
- উম্মে তানিয়া
- এহসানুল কবির
- চলচ্চিত্র
- চিত্রকলা
- চিত্রশালা
- জান্নাতুল মাওয়া
- দেবাশীষ মজুমদার
- পর্যালোচনা
- পাভেল পার্থ
- ফুয়াদ হাসান
- বানীব্রত রায়
- মইনুল আলম
- মাহমুদ আলম সৈকত
- মাহমুদুল হোসেন
- মুক্তচিন্তা
- রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী
- রাজীব দত্ত
- রিফাত বিন নুরুল
- রেদোয়ান হোসাইন রিয়াদ
- লেখক
- শাহাদাত হোসেন
- সন্দীপন ভট্টাচার্য
- সম্পাদকীয়
- সাইদ সুমন
- সাক্ষাৎকার
- সাহাদাত পারভেজ
- সৌরভ ষড়ঙ্গী
- হিন্দোল ভট্টাচার্য
সম্পাদকীয়
যোগাযোগ ও নিয়মাবলী
[চিত্রভাষা মূলত শিল্প, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, সংগীত, সাহিত্য, নন্দনচিন্তা ও সমকালীন সংস্কৃতি বিষয়ক মননশীল গদ্যের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। আমরা প্রকাশ করি প্রবন্ধ, শিল্পভাবনা, সাক্ষাৎকার, চলচ্চিত্র বিশ্লেষণ, শিল্প-আলোচনা, অনুবাদ, ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও সৃজনশীল নন-ফিকশনধর্মী লেখা।কবিতা, ছোটগল্প বা সরাসরি সংবাদধর্মী লেখা সাধারণত গ্রহণ করা হয় না। আমরা এমন লেখা খুঁজি, যেখানে চিন্তা, ভাষা ও নন্দনবোধ একসাথে কাজ করে।চিত্রভাষায় লেখা পাঠাতে আগ্রহীদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও নীতিমালা প্রযোজ্য। নিচের বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ নিয়মাবলী পড়ুন।














