স্ট্রিট ফটোগ্রাফি

0
906

স্থিরচিত্রের একটি ধরন স্ট্রিট ফটোগ্রাফি, যাকে বলা যায় ঘরের বাইরের রাস্তার ছবি, যেখানে সাধারণত মানুষ চলাচল করে বা অবস্থান করে এবং স্ট্রিট ফটোগ্রাফি শুধু রাস্তাঘাটে সীমাবদ্ধ থাকে না; পার্ক, স্টেশন, কিংবা, যেখানে মানুষের সমাগম আছে তেমন স্থানের প্রাত্যহিক জীবনের মুহূর্ত কেও পথের আলোকচিত্র বলা যেতে পারে।


কোনটি স্ট্রিট ফটো আর কোনটা নয় এই আলোচনা খুব একটা প্রাসঙ্গিক নয় আলোকচিত্রর উন্নয়নের জন্য। রাস্তার একটি পোর্ট্রেট ফটোকে পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি বলা যেতে পারে আবার সেই ফটোতে যদি যথেষ্ট পরিমাণ রাস্তা থাকে তাহলেও তাকে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি বলা যেতে পারে। 

যদিও, রাস্তা নিজেই নাটকীয় যাকে চিনতে পারা বা পাঠ করা আলোকচিত্র-শিল্পীর কাজ। বিষয়টা এমন যে কে কতটা তার আলোকচিত্রের স্থানকে পাঠ করতে পারে, আগে পাঠ, এরপরে ক্যাপচার। যেহেতু সবাই ভিন্ন পাঠ করে ও কেউ কেউ স্বকীয়ভাবে পাঠ করে, তাই আমরা আলোকচিত্রে স্বকীয়তার সাথে স্থানিক পাঠ দেখতে পাই।

স্ট্রিট ফটোগ্রাফির মূল বৈশিষ্ট্য রাস্তা ও তার মুহূর্ত। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ ও তার প্রকৃতি যে আচরণ করে তাকে রেকর্ড করে স্ট্রিট ফটোগ্রাফার। ফটোগ্রাফার রাস্তাকে তার ক্যানভাস হিসেবে ব্যবহার করে ছবি ক্যাপচার করে এবং তথ্যকে রেকর্ড করে। আমরা জানি মানব ইতিহাসে তথ্যের গুরুত্ব, রাস্তার সাধারণ মানুষ ও রাস্তায় ঘটে যাওয়া মুহূর্তকে আর্কাইভ করেন স্ট্রিট ফটোগ্রাফার। 

যদিও, রাস্তা নিজেই নাটকীয় যাকে চিনতে পারা বা পাঠ করা আলোকচিত্র-শিল্পীর কাজ। বিষয়টা এমন যে কে কতটা তার আলোকচিত্রের স্থানকে পাঠ করতে পারে, আগে পাঠ, এরপরে ক্যাপচার। যেহেতু সবাই ভিন্ন পাঠ করে ও কেউ কেউ স্বকীয়ভাবে পাঠ করে, তাই আমরা আলোকচিত্রে স্বকীয়তার সাথে স্থানিক পাঠ দেখতে পাই।

রাস্তার মুহূর্ত বিস্ময়করভাবে পরিবর্তনশীল,স্পেসের পরিবর্তনশীল মুহূর্তের চিত্র স্থির করে দেয় আলোকচিত্রই, স্ট্রিট ফটোগ্রাফার একজন ভ্রমণকারী, যিনি ভ্রমণে বের হন, এবং তার পছন্দের ছবি সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন, একজন ভালো স্ট্রিট ফটোগ্রাফার-এর কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য থাকে না ও ফেরার তাড়াও থাকে না।

একজন স্ট্রিট ফটোগ্রাফি শিল্পীর স্থানিক পাঠ থেকে যে ছবি উঠে আসে তা তার মনোজগতের প্রকাশ, মানে একটা স্থানকে কিভাবে পাঠ করা হবে তা শিল্পীর মানসিক প্যাটার্ন এর বহিঃপ্রকাশ।

রাস্তার মুহূর্ত বিস্ময়করভাবে পরিবর্তনশীল,স্পেসের পরিবর্তনশীল মুহূর্তের চিত্র স্থির করে দেয় আলোকচিত্রই, স্ট্রিট ফটোগ্রাফার একজন ভ্রমণকারী, যিনি ভ্রমণে বের হন, এবং তার পছন্দের ছবি সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন, একজন ভালো স্ট্রিট ফটোগ্রাফার-এর কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য থাকে না ও ফেরার তাড়াও থাকে না।

FRANCE. Paris. The Quai St Bernard, near the Gare d’Austerlitz railway station. 1932.

স্ট্রিট ফটোগ্রাফির ইতিহাস দেখলে আমরা হরেক রকম ফটোগ্রাফি দেখতে পাই, যদিও স্ট্রিট ফটোগ্রাফি শুরু হয়েছিল কোডাক ব্রাউনির হাত ধরে, এর আগে বিকট সাইজের ক্যামেরা দিয়েও রাস্তার ছবি তোলা হয়েছিল তবে তা পরিষ্কার নয় তেমন। হেনরি লারতিগকে আমরা দেখতে পাই ১৯০০ দশকের শুরুর দিকে কিছু দুর্বল কম্পোজিশনের রাস্তার ছবি তুলতে। কার্তিয়ে ব্রেসো প্রথম স্ট্রিট  ফটোগ্রাফির কম্পোজিশনের নন্দন তৈরি করাতে সাহায্য করেন।

আর্লি ফটোগ্রাফিতে আমরা হেনরি কার্তিয়ে ব্রেসো decisive moment এর কনসেপ্ট পাই, যেখানে একটা মুহূর্তের চূড়ান্ত পরিণতির মুহূর্তকে বন্দি করার কথা বলা হচ্ছে। এই মতে প্রত্যেকটা মুহূর্তে একটা চূড়ান্ত মুহূর্ত থাকে যাকে ফটোগ্রাফার চিহ্নিত করে ছবি ক্যাপচার করে। তবে ডিসাইসিভ মোমেন্ট-এর একটা ছবি তুলতে হলে একজন ফটোগ্রাফারকে করতে হয় অপেক্ষা এবং থাকতে হয় সঠিক সময় ক্লিক করতে পারার জ্ঞান। এছাড়া ফটোগ্রাফি কম্পোজিশনের অন্য যে প্যারামিটারগুলো ও টেকনিক আছে তা স্ট্রিট ফটোগ্রাফিতে ব্যবহার হয়।

স্ট্রিট ফটোগ্রাফির ইতিহাস দেখলে আমরা হরেক রকম ফটোগ্রাফি দেখতে পাই, যদিও স্ট্রিট ফটোগ্রাফি শুরু হয়েছিল কোডাক ব্রাউনির হাত ধরে, এর আগে বিকট সাইজের ক্যামেরা দিয়েও রাস্তার ছবি তোলা হয়েছিল তবে তা পরিষ্কার নয় তেমন। হেনরি লারতিগকে আমরা দেখতে পাই ১৯০০ দশকের শুরুর দিকে কিছু দুর্বল কম্পোজিশনের রাস্তার ছবি তুলতে। কার্তিয়ে ব্রেসো প্রথম স্ট্রিট  ফটোগ্রাফির কম্পোজিশনের নন্দন তৈরি করাতে সাহায্য করেন।

প্রাচ্য ও পশ্চিমের স্ট্রিট ফটোগ্রাফি অনেকটা আলাদা। কারণ দুই অঞ্চলের জিওগ্রাফিক ভিজ্যুয়াল দুই ধরনের। প্রাচ্যর স্ট্রিট ফটোগ্রাফি প্রাচ্যর সংস্কৃতিগত পার্থক্যের জন্য পশ্চিমের ইমেজ থেকে আলাদা। এইজন্য রবার্ট ফ্রাঙ্ক-এর স্ট্রিট ফটোগ্রাফি আর ভারতের রঘু রাই-এর স্ট্রিট ফটোগ্রাফি দুইটা দুই টোনের ছবি। 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে